ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার কোথায় কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যায়

Hasan Ahamad
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ৯২ বার পড়া হয়েছে

স্বল্প বাজেটের কারণে অনেকেই জানতে চান ঢাকার কোথায় কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যায়। সাধারণত রিফারবিশড বা সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ মার্কেটের বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইদানিং। যেখানে নতুন একটি ডিভাইস বা ল্যাপটপ কিনতে গেলে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয় সেখানে মাত্র ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বা তার চাইতেও কম দামে ব্যবহার উপযোগী ভালো ল্যাপটপ পাওয়া যায়।

ঢাকার কোথায় কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যায়

দেশের বাইরে থেকে আসা ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার জন্য ঢাকার মধ্যে সবচাইতে জনপ্রিয় জায়গা হচ্ছে মিরপুর ১০। মিরপুর ১০ এ এমন বেশ কয়েকটি মার্কেটে অনেক দোকান আছে যেখান থেকে কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যায়।

তাছাড়াও যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা শপিংমল এবং উত্তরাতেও কম্পিউটারের শোরুম রয়েছে যেখানে ব্র্যান্ড নিউ ল্যাপটপের পাশাপাশি পুরাতন বা ব্যবহৃত ল্যাপটপও কিনতে পাওয়া যায়। আবার চাইলে হাতে থাকা বা কারো ব্যবহৃত ল্যাপটপটি বিক্রি করে আবার নতুন একটি ডিভাইস নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এমনকি bikroy.com বা অনলাইন প্লাটফর্মে এই ধরনের দোকানের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। তবে এই ধরনের ডিভাইস কেনার ক্ষেত্রে সরাসরি গিয়ে যাচাই-বাছাই করে কেনা প্রয়োজন।

কম দামে ল্যাপটপ কিনতে কত টাকা বাজেট করতে হবে

সাধারণত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায়ও ব্যবহার উপযোগী ল্যাপটপ পাওয়া যায়। তবে এসবের কিছুটা পুরাতন মডেলের হয়ে থাকে। শুধুমাত্র ফেসবুক, ইউটিউব চালানো কিংবা অফিস ওয়ার্ডে কাজ করা করা যায়।

আর যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফ্রিল্যান্সিং বা অফিসে ব্যবহারের উপযোগী একটি ল্যাপটপ করছেন তাদের জন্য ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বাজেটে বেশ ভালো ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনতে পারবেন।

গেমিং কিংবা ভিডিও এডিটিং এর জন্য একটি নতুন ল্যাপটপ কিনতে যেখানে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা খরচ পর্যন্ত করা হয় সেখানে এ সকল দোকান থেকে একই কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ৪০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

কেনার আগে যে সকল বিষয় মাথায় রাখবেন

যেহেতু ব্র্যান্ড নিউ না কিনে ব্যবহৃত বা রিফারবিশড ল্যাপটপ কিনছেন সে ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন।

• ডিভাইসের সাথে কতদিনের গ্যারান্টি এবং কতদিনের সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিচ্ছে।
• দোকানের ক্যাশ মেমো এবং ওয়ারেন্টি কার্ড বুঝে নিন।
• এসএসডি এবং রেম কতটুকু দিচ্ছে তা জেনে নিন।
• ডিভাইসটির কোন রিপেয়ার হিস্টোরি বা কোন পার্টস চেঞ্জ করা হয়েছে কিনা তা যাচাই করে নেই।
• কিবোর্ডের সকল বাটন ঠিক মতো কাজ করে কিনা তা দেখে নিন।
• ডিসপ্লেতে কোন দাগ দেখা যায় কিনা
• সব দোষ ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা
• ব্যাটারি ব্যাকআপ কতক্ষণ দিচ্ছে
• কোন স্ক্র্যাচ বা দাগ আছে কিনা
• ইন্টারনেট কানেক্ট করে নেট চালিয়ে দেখুন এবং ল্যাপটপের মাধ্যমেই কথা বলে যাচাই করুন সব ঠিক আছে কিনা।

কম দামের ল্যাপটপ কেমনে যে সেটি খারাপ হবে এ বিষয়টি তা নয়। বরং এসব দোকান থেকে ডিভাইসের সাথে মাউস, কিবোর্ড ইত্যাদি ফ্রীও দিয়ে থাকে যা খুবই প্রয়োজনীয়। আবার চাইলেই এসএসডি কিংবা রেম বাড়িয়ে নেওয়া যায় প্রয়োজন অনুযায়ী। তাই কেনার আগে অন্ততপক্ষে দুই থেকে তিনটি দোকান ঘুরে ঘুরে দেখুন। এতে করে ভালো ডিভাইস কেনা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঢাকার কোথায় কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যায়

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

স্বল্প বাজেটের কারণে অনেকেই জানতে চান ঢাকার কোথায় কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যায়। সাধারণত রিফারবিশড বা সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ মার্কেটের বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইদানিং। যেখানে নতুন একটি ডিভাইস বা ল্যাপটপ কিনতে গেলে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয় সেখানে মাত্র ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বা তার চাইতেও কম দামে ব্যবহার উপযোগী ভালো ল্যাপটপ পাওয়া যায়।

ঢাকার কোথায় কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যায়

দেশের বাইরে থেকে আসা ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার জন্য ঢাকার মধ্যে সবচাইতে জনপ্রিয় জায়গা হচ্ছে মিরপুর ১০। মিরপুর ১০ এ এমন বেশ কয়েকটি মার্কেটে অনেক দোকান আছে যেখান থেকে কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যায়।

তাছাড়াও যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা শপিংমল এবং উত্তরাতেও কম্পিউটারের শোরুম রয়েছে যেখানে ব্র্যান্ড নিউ ল্যাপটপের পাশাপাশি পুরাতন বা ব্যবহৃত ল্যাপটপও কিনতে পাওয়া যায়। আবার চাইলে হাতে থাকা বা কারো ব্যবহৃত ল্যাপটপটি বিক্রি করে আবার নতুন একটি ডিভাইস নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এমনকি bikroy.com বা অনলাইন প্লাটফর্মে এই ধরনের দোকানের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। তবে এই ধরনের ডিভাইস কেনার ক্ষেত্রে সরাসরি গিয়ে যাচাই-বাছাই করে কেনা প্রয়োজন।

কম দামে ল্যাপটপ কিনতে কত টাকা বাজেট করতে হবে

সাধারণত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায়ও ব্যবহার উপযোগী ল্যাপটপ পাওয়া যায়। তবে এসবের কিছুটা পুরাতন মডেলের হয়ে থাকে। শুধুমাত্র ফেসবুক, ইউটিউব চালানো কিংবা অফিস ওয়ার্ডে কাজ করা করা যায়।

আর যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফ্রিল্যান্সিং বা অফিসে ব্যবহারের উপযোগী একটি ল্যাপটপ করছেন তাদের জন্য ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বাজেটে বেশ ভালো ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনতে পারবেন।

গেমিং কিংবা ভিডিও এডিটিং এর জন্য একটি নতুন ল্যাপটপ কিনতে যেখানে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা খরচ পর্যন্ত করা হয় সেখানে এ সকল দোকান থেকে একই কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ৪০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

কেনার আগে যে সকল বিষয় মাথায় রাখবেন

যেহেতু ব্র্যান্ড নিউ না কিনে ব্যবহৃত বা রিফারবিশড ল্যাপটপ কিনছেন সে ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন।

• ডিভাইসের সাথে কতদিনের গ্যারান্টি এবং কতদিনের সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিচ্ছে।
• দোকানের ক্যাশ মেমো এবং ওয়ারেন্টি কার্ড বুঝে নিন।
• এসএসডি এবং রেম কতটুকু দিচ্ছে তা জেনে নিন।
• ডিভাইসটির কোন রিপেয়ার হিস্টোরি বা কোন পার্টস চেঞ্জ করা হয়েছে কিনা তা যাচাই করে নেই।
• কিবোর্ডের সকল বাটন ঠিক মতো কাজ করে কিনা তা দেখে নিন।
• ডিসপ্লেতে কোন দাগ দেখা যায় কিনা
• সব দোষ ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা
• ব্যাটারি ব্যাকআপ কতক্ষণ দিচ্ছে
• কোন স্ক্র্যাচ বা দাগ আছে কিনা
• ইন্টারনেট কানেক্ট করে নেট চালিয়ে দেখুন এবং ল্যাপটপের মাধ্যমেই কথা বলে যাচাই করুন সব ঠিক আছে কিনা।

কম দামের ল্যাপটপ কেমনে যে সেটি খারাপ হবে এ বিষয়টি তা নয়। বরং এসব দোকান থেকে ডিভাইসের সাথে মাউস, কিবোর্ড ইত্যাদি ফ্রীও দিয়ে থাকে যা খুবই প্রয়োজনীয়। আবার চাইলেই এসএসডি কিংবা রেম বাড়িয়ে নেওয়া যায় প্রয়োজন অনুযায়ী। তাই কেনার আগে অন্ততপক্ষে দুই থেকে তিনটি দোকান ঘুরে ঘুরে দেখুন। এতে করে ভালো ডিভাইস কেনা সম্ভব হবে।