ঘরোয়া পদ্ধতিতে হজম বাড়ানোর উপায় জেনে নিন

- আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
সারা মাস রোজা রাখার পর ঈদের দিন সকাল থেকেই নানা ধরনের মুখরোচক এবং তৈলাক্ত খাবার খেয়ে থাকি। ঠিক এই কারণেই পেটে দেখা যায় না ধরনের সমস্যা। তবে হজম বাড়ানোর উপায় যদি জানা থাকে তাহলে সেমাই, পোলাও, মাংস বা বিকালের আড্ডায় চটপটি, ফুচকা যাই খান না কেন পাকস্থলী থাকবে ভালো। তাছাড়া এক মাস রোজা রাখার পর একদিন হুট করে নানা ধরনের খাবার খাওয়ার ফলে বদহজম, গ্যাস কিংবা বানানো ধরনের অস্বস্তি শুরু হয়। চলুন জেনে নেই এর সকল সমস্যা থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পারেন।
গরম পানি
যেকোনো ধরনের ভারী কিংবা তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পর কুসুম কুসুম গরম পানি বেশ কার্যকরী একটি পদ্ধতি। এটি পরিপাকতন্ত্রকে সচল রাখে এবং হজম বাড়ানোর কার্যকরী কৌশল হিসেবে কাজ করে। যে কোন খাবার খাওয়ার কমপক্ষে আধা ঘন্টা পরে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন।
আদা ও আদা চা
হজম বৃদ্ধি করার জন্য আদা চা এর কোন জরুরী নেই। আদা খাওয়ার পর আমাদের পাকস্থলীর এনজাইম নিঃসরণ বৃদ্ধি পায় যা কিনা খাবারকে দ্রুত ভাঙ্গে। তাই যেকোনো ধরনের ভুরি ভোজের পর এক কাপ আদা চা অথবা কিছু অংশ আদা লবণ দিয়ে চিবিয়ে খান দেখবেন সকল ধরনের অস্বস্তি দূর হয়ে গিয়েছে।
খাবার পর বিশ্রাম
আমাদের অনেকের একটি বদ অভ্যাস রয়েছে যে খাওয়ার পর সাথে সাথে বিছানায় শুয়ে পড়ে। বদহজম কিংবা পেটে সমস্যা হওয়ার এটি একটি প্রধান কারণ। খাবার কে ভালোভাবে হজম করতে এবং পেটে যাতে গ্যাস না জমে তার জন্য কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাটাহাটি করার জরুরী। তবে ভরা পেটে কোন ধরনের শারীরিক ব্যায়াম কিংবা খেলাধুলা করা উচিত নয়।
বিভিন্ন ধরনের ফলমূল
একবেলা ভারী খাবার খাওয়ার পর যদি পেটে খারাপ লাগা শুরু হয় তাহলে পরবর্তী নাস্তায় হালকা ফলমূল অথবা সহজপাচ্য খাবার খান। সবুজ শাকসবজি এক্ষেত্রে ভালো অপশন। এতে করে পাকস্থলের এসিড নিয়ন্ত্রিত হয় এবং হজম ভালো হয়। তবে অতিরিক্ত টক কিংবা এসিড জাতীয় ফল খেলে চলা উচিত।
যথাযথ ভাবে পানি পান
হজম বাড়ানোর অন্য একটি কার্যকরী উপায় হচ্ছে যথাযথভাবে পানি পান করা। খাবারের মাঝখানে কিংবা খাবার শেষ করার পরপরই অতিরিক্ত পরিমাণে পানি পেটে নানা ধরনের সমস্যার তৈরি করতে পারে। তাই শরীরকে হাইড্রেট এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে খাবার পর কিছু সময় বিরতি নিয়ে পানি পান করুন।
আর একবার যদি সমস্যা হয়ে যায় তাহলে তাদের পরিবর্তে খিচুড়ি, দই, চিড়া কিংবা মিষ্টি আলুর মতো সহজপাত্র খাবার খান।
যাদের কিনা নিয়মিত এসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা থাকে তাদের হজম বাড়ানোর কৌশল অবলম্বন করার পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে ডাক্তার এন্টাসিড কিংবা গ্যাসের মেডিসিন সাজেস্ট করতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন মতেই নিজে নিজে মেডিসিন খাওয়া একদমই উচিত নয়।














