ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনার্স শেষে সবচেয়ে বেশি বেতন পান কোন ১০ বিষয়ের শিক্ষার্থীরা

Hasan Ahamad
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ১৯১ বার পড়া হয়েছে

University Admission

সারা পৃথিবী জুড়েই লেখাপড়া করার ক্ষেত্রে কোন বিষয়ে পড়লে সবচাইতে বেশি ইনকাম করা সম্ভব বা অনার্স শেষের সবচেয়ে বেশি বেতন পায় কোন বিষয় শিক্ষার্থীরা তা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কলেজ বা ইউনিভার্সিটি লাইফ শেষ করার পর সবচাইতে বেশি আয় করেছেন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিকেল বিষয়ের শিক্ষার্থীরা। এই গবেষণাটি আন্তর্জাতিকভাবেই প্রযোজ্য। অর্থাৎ সারা বিশ্বেই ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি আরো কিছু বিষয় রয়েছে যারাও অনার্স শেষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছেন।

আয়ের শীর্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়

যদি বিশ্ব বাজারের দিকে আমরা তাকাই তাহলে দেখতে পাই 22 থেকে 27 বছর বয়সেই তরুণ ইঞ্জিনিয়াররা গড়ে বছরে আয় করেন ৮৫ হাজার ডলার। যেতে বাংলাদেশে টাকায় প্রায় কোটির কাছাকাছি। এমনকি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও এটি ব্যতিক্রম নয়। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কম্পিউটার, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভালো একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারের বেতন সাধারণত শুরুতেই ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এমনকি অন্যান্য বিষয়ে লেখাপড়া শেষ করে অনেকেই আবার প্রোগ্রামিং শিখে নিজের ক্যারিয়ার গড়ছে কম্পিউটার ফিল্ডে।

তাছাড়াও কেমিক্যাল, এরোস্পেস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, ইলেক্ট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল কিংবা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্টরাও লেখাপড়া শেষে ভালো ভালো চাকরি করছে কিংবা নিজেদের ফার্ম দিয়ে বিপুল পরিমাণে অর্থ উপার্জন করছে।

সরকারি চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি খাত গুলোতে প্রতিনিয়ত এই বিপুল পরিমাণ দক্ষ প্রকৌশলী দরকার হয়। এমনকি অনেক বড় বলার প্রতিষ্ঠানে ও ফ্রেশারদেরকে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতন অফার করা হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভালো একটি স্টার্টিং সেলারি।

আবার এরোস্পেস বা অ্যারোনোটিকাল ইঞ্জিনিয়ার চাহিদা তো ব্যাপক। দেশের যেমন চাহিদা রয়েছে ঠিক তেমনিভাবে বিদেশেও প্রচুর বেতনে ভালো ভালো জব অফার রয়েছে। তবে বর্তমান বাজারে যেহেতু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাপকভাবে প্রচলিত হচ্ছে এবং কাজের পরিবর্তন আসছে তাই অনেকের মধ্যে সংখ্যা আসছে যে ভবিষ্যতে এই সকল চাকরির চাহিদা কমে যায় কিনা।

তবে আমেরিকার শ্রম পরিসংখ্যানের তথ্য মতে পরবর্তী দশকে ইঞ্জিনিয়ারদের কর্মসংস্থান আরও বৃদ্ধি পায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনার্স শেষে সবচেয়ে বেশি বেতন পায় যে বিষয়ে শিক্ষার্থীরা

মেডিসিন বা ডাক্তার

ডাক্তারদের আর্থিক আয় সম্পর্কে আমাদের কোন বিষয়ে সবারই ধারণা আছে। নির্দিষ্ট বেতনের সরকারি কিংবা বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি বাইরের রোগী দেখে আর্থিক সচলতা আনানের সুযোগ অনেক। সেই সাথে বিদেশে গেলেও আয় বহু গুণ বেড়ে যায়।

ফার্মেসী

বর্তমানে বাংলাদেশের ওষুধ ও চিকিৎসা খাত বেশ সমৃদ্ধ। এসকল প্রতিষ্ঠানে অনেক ফার্মাসিস্টদের দরকার হয় এবং ৫০/৬০ হাজার টাকা বেতন পাওয়াও কঠিন বিষয় নয়।

বিবিএ ফাইনান্স মার্কেটিং

ব্যাংক, কর্পোরেট, ফাইন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট প্রতিষ্ঠানে এই সাবজেক্টের গ্রাজুয়েটদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তবে এই সেক্টরে ক্যারিয়ার করার জন্য অবশ্যই গবেষণা, ডাটা এনালাইটিক্স স্কিল থাকতে হবে।

অর্থনীতি

দেবা পৃথিবীর পরিস্থিতি যাই হোক না কেন সব সময়ই অর্থনীতির বিষয়টি গুরুত্ব সবচাইতে বেশি। এমনকি বাজেট প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ থেকে শুরু করে ছোট বড় সকল কাজেই একজন অর্থনীতিবিদের দরকার হয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থনীতি থেকে অনার্স, মাস্টার্স সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা ব্যাংক, বীমা, এনজিও প্রতিষ্ঠানসহ বড় বড় জায়গায় চাকরি সুযোগ পেয়ে থাকে। এন্ট্রি লেভেল বেতন কম হলেও মোটামুটি অভিজ্ঞতা অর্জন করার পর লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন আয় করা যায়।

গণিত

যদিও গণিত ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের মধ্য পড়ে তবুও এটাকে আমি আলাদা তালিকায় রাখছি। কারণ এই বিষয় থেকে পাশ করে একজন দক্ষ শিক্ষার্থী যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগদান করেও অফিস সময়ের বাইরে টিউশনি করে অর্থ উপার্জন করতে পারে। আমরা জানি মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক কিংবা গ্রাজুয়েশন লেভেলের শিক্ষার্থী বাড়তি টিউশন পড়ে থাকে। এছাড়া ভালো চাকরির বাজার তো রয়েছে।

এমন আরো কিছু বিষয় হচ্ছে

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
• বায়োকেমিস্ট্রি
• পদার্থ
• রসায়ন
• মনোবিজ্ঞান
• কৃষিবিজ্ঞান
• ভূগোল
• আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
• আইন
• টেক্সটাইল ইত্যাদি

অনার্স শেষের সবচেয়ে বেশি বেতন পায় কোন দশ বিষয় শিক্ষার্থী

ক্যারিয়ারে নিজের একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডের ভূমিকা থাকলেও ইচ্ছা ধৈর্য এবং অধ্যাবসায়ও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যেমন উদাহরণ হিসেবে আমরা এমন কিছু সাবজেক্টের কথা উল্লেখ করতে পারি যেগুলোর চাহিদা বাজারে তুলনামূলকভাবে কম থাকে। অনেকে হয়তো বা ইতিহাস বাংলা বা এ ধরণের বিষয়ে কথা মাথায় আসছে।

তবে সত্য বলতে এ ধরনের কম চাহিদা সম্পন্ন বিষয় থেকে লেখাপড়া করেও আপনার দক্ষতা এবং যোগ্যতা দিয়ে অনেক ভালো অর্থ আয় করা সম্ভব। সাবজেক্ট শুধুমাত্র আপনার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সহায়ক। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে যেমন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ার জন্য অবশ্যই সেই রিলেটেড সাবজেক্টে অনার্স পাশ করতে হবে।

তবে জীবনে বড় কিছু হওয়ার জন্য দরকার আপনার ইচ্ছাশক্তি এবং পরিশ্রম। অনার্স শেষে সবচেয়ে বেশি বেতন পায় কোন ১০ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা সে সম্পর্কে আশা করি আপনাদের কিছুটা ধারণা হয়েছে। তবে সব সময় কিংবা সব প্রেক্ষাপট যে একই রকম থাকবে তা নয়। বিশ্ববাজার পরিবর্তন, শিল্পায়ন, অর্থনীতির পরিবর্তন ইত্যাদি সিচুয়েশনে চাহিদারাও পরিবর্তন হয়ে থাকে। তাই কোন বিষয় পড়লে ভালো হবে সেটি উপর প্রকাশ না করে আপনি আসলে কি হতে চান সেটার উপর ফোকাস করুন। তাহলে এই জীবনে বড় কিছু হতে পারবেন। আপনার জন্য শুভকামনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অনার্স শেষে সবচেয়ে বেশি বেতন পান কোন ১০ বিষয়ের শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

সারা পৃথিবী জুড়েই লেখাপড়া করার ক্ষেত্রে কোন বিষয়ে পড়লে সবচাইতে বেশি ইনকাম করা সম্ভব বা অনার্স শেষের সবচেয়ে বেশি বেতন পায় কোন বিষয় শিক্ষার্থীরা তা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কলেজ বা ইউনিভার্সিটি লাইফ শেষ করার পর সবচাইতে বেশি আয় করেছেন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিকেল বিষয়ের শিক্ষার্থীরা। এই গবেষণাটি আন্তর্জাতিকভাবেই প্রযোজ্য। অর্থাৎ সারা বিশ্বেই ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি আরো কিছু বিষয় রয়েছে যারাও অনার্স শেষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছেন।

আয়ের শীর্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়

যদি বিশ্ব বাজারের দিকে আমরা তাকাই তাহলে দেখতে পাই 22 থেকে 27 বছর বয়সেই তরুণ ইঞ্জিনিয়াররা গড়ে বছরে আয় করেন ৮৫ হাজার ডলার। যেতে বাংলাদেশে টাকায় প্রায় কোটির কাছাকাছি। এমনকি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও এটি ব্যতিক্রম নয়। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কম্পিউটার, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভালো একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারের বেতন সাধারণত শুরুতেই ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এমনকি অন্যান্য বিষয়ে লেখাপড়া শেষ করে অনেকেই আবার প্রোগ্রামিং শিখে নিজের ক্যারিয়ার গড়ছে কম্পিউটার ফিল্ডে।

তাছাড়াও কেমিক্যাল, এরোস্পেস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, ইলেক্ট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল কিংবা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্টরাও লেখাপড়া শেষে ভালো ভালো চাকরি করছে কিংবা নিজেদের ফার্ম দিয়ে বিপুল পরিমাণে অর্থ উপার্জন করছে।

সরকারি চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি খাত গুলোতে প্রতিনিয়ত এই বিপুল পরিমাণ দক্ষ প্রকৌশলী দরকার হয়। এমনকি অনেক বড় বলার প্রতিষ্ঠানে ও ফ্রেশারদেরকে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতন অফার করা হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভালো একটি স্টার্টিং সেলারি।

আবার এরোস্পেস বা অ্যারোনোটিকাল ইঞ্জিনিয়ার চাহিদা তো ব্যাপক। দেশের যেমন চাহিদা রয়েছে ঠিক তেমনিভাবে বিদেশেও প্রচুর বেতনে ভালো ভালো জব অফার রয়েছে। তবে বর্তমান বাজারে যেহেতু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাপকভাবে প্রচলিত হচ্ছে এবং কাজের পরিবর্তন আসছে তাই অনেকের মধ্যে সংখ্যা আসছে যে ভবিষ্যতে এই সকল চাকরির চাহিদা কমে যায় কিনা।

তবে আমেরিকার শ্রম পরিসংখ্যানের তথ্য মতে পরবর্তী দশকে ইঞ্জিনিয়ারদের কর্মসংস্থান আরও বৃদ্ধি পায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনার্স শেষে সবচেয়ে বেশি বেতন পায় যে বিষয়ে শিক্ষার্থীরা

মেডিসিন বা ডাক্তার

ডাক্তারদের আর্থিক আয় সম্পর্কে আমাদের কোন বিষয়ে সবারই ধারণা আছে। নির্দিষ্ট বেতনের সরকারি কিংবা বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি বাইরের রোগী দেখে আর্থিক সচলতা আনানের সুযোগ অনেক। সেই সাথে বিদেশে গেলেও আয় বহু গুণ বেড়ে যায়।

ফার্মেসী

বর্তমানে বাংলাদেশের ওষুধ ও চিকিৎসা খাত বেশ সমৃদ্ধ। এসকল প্রতিষ্ঠানে অনেক ফার্মাসিস্টদের দরকার হয় এবং ৫০/৬০ হাজার টাকা বেতন পাওয়াও কঠিন বিষয় নয়।

বিবিএ ফাইনান্স মার্কেটিং

ব্যাংক, কর্পোরেট, ফাইন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট প্রতিষ্ঠানে এই সাবজেক্টের গ্রাজুয়েটদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তবে এই সেক্টরে ক্যারিয়ার করার জন্য অবশ্যই গবেষণা, ডাটা এনালাইটিক্স স্কিল থাকতে হবে।

অর্থনীতি

দেবা পৃথিবীর পরিস্থিতি যাই হোক না কেন সব সময়ই অর্থনীতির বিষয়টি গুরুত্ব সবচাইতে বেশি। এমনকি বাজেট প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ থেকে শুরু করে ছোট বড় সকল কাজেই একজন অর্থনীতিবিদের দরকার হয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থনীতি থেকে অনার্স, মাস্টার্স সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা ব্যাংক, বীমা, এনজিও প্রতিষ্ঠানসহ বড় বড় জায়গায় চাকরি সুযোগ পেয়ে থাকে। এন্ট্রি লেভেল বেতন কম হলেও মোটামুটি অভিজ্ঞতা অর্জন করার পর লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন আয় করা যায়।

গণিত

যদিও গণিত ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের মধ্য পড়ে তবুও এটাকে আমি আলাদা তালিকায় রাখছি। কারণ এই বিষয় থেকে পাশ করে একজন দক্ষ শিক্ষার্থী যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগদান করেও অফিস সময়ের বাইরে টিউশনি করে অর্থ উপার্জন করতে পারে। আমরা জানি মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক কিংবা গ্রাজুয়েশন লেভেলের শিক্ষার্থী বাড়তি টিউশন পড়ে থাকে। এছাড়া ভালো চাকরির বাজার তো রয়েছে।

এমন আরো কিছু বিষয় হচ্ছে

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
• বায়োকেমিস্ট্রি
• পদার্থ
• রসায়ন
• মনোবিজ্ঞান
• কৃষিবিজ্ঞান
• ভূগোল
• আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
• আইন
• টেক্সটাইল ইত্যাদি

অনার্স শেষের সবচেয়ে বেশি বেতন পায় কোন দশ বিষয় শিক্ষার্থী

ক্যারিয়ারে নিজের একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডের ভূমিকা থাকলেও ইচ্ছা ধৈর্য এবং অধ্যাবসায়ও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যেমন উদাহরণ হিসেবে আমরা এমন কিছু সাবজেক্টের কথা উল্লেখ করতে পারি যেগুলোর চাহিদা বাজারে তুলনামূলকভাবে কম থাকে। অনেকে হয়তো বা ইতিহাস বাংলা বা এ ধরণের বিষয়ে কথা মাথায় আসছে।

তবে সত্য বলতে এ ধরনের কম চাহিদা সম্পন্ন বিষয় থেকে লেখাপড়া করেও আপনার দক্ষতা এবং যোগ্যতা দিয়ে অনেক ভালো অর্থ আয় করা সম্ভব। সাবজেক্ট শুধুমাত্র আপনার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সহায়ক। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে যেমন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ার জন্য অবশ্যই সেই রিলেটেড সাবজেক্টে অনার্স পাশ করতে হবে।

তবে জীবনে বড় কিছু হওয়ার জন্য দরকার আপনার ইচ্ছাশক্তি এবং পরিশ্রম। অনার্স শেষে সবচেয়ে বেশি বেতন পায় কোন ১০ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা সে সম্পর্কে আশা করি আপনাদের কিছুটা ধারণা হয়েছে। তবে সব সময় কিংবা সব প্রেক্ষাপট যে একই রকম থাকবে তা নয়। বিশ্ববাজার পরিবর্তন, শিল্পায়ন, অর্থনীতির পরিবর্তন ইত্যাদি সিচুয়েশনে চাহিদারাও পরিবর্তন হয়ে থাকে। তাই কোন বিষয় পড়লে ভালো হবে সেটি উপর প্রকাশ না করে আপনি আসলে কি হতে চান সেটার উপর ফোকাস করুন। তাহলে এই জীবনে বড় কিছু হতে পারবেন। আপনার জন্য শুভকামনা।